Wo Ai Ni

In the “30 things to do before your 30’s”, I always wanted to skip things like – Solo Travel/Living Alone. However, with few years remaining, I made it all before reaching my 30’s. Exactly 7 days ago, I crossed the immigration of my country to start my masters in China. Well… I am tired of the question, “Why China? Why not North America/Europe/Australia/Other Asian Countries!”. I will probably write an essay on it later. For now, let’s focus on my first solo travel. 😀

I had transit at Guangzhou on my way to Wuhan city, capital of Hubei Province. I always traveled with my family, or least, my sister. But, this was a legit solo travel. I reached Guangzhou at 7 am – ish time and my domestic flight was on 11 am. It took an hour to cross the immigration and at 8 I was sitting in-front of the boarding gate. Luckily, a Starbucks was just in the opposite of my waiting corner. I went there to grab some breakfast, bought a sandwich and coffee, and came back to seat and eat alone. “Alone” – I don’t know if there was any other word in the dictionary which could scare me like that before. But now, it’s different. I am trying to be alone, maybe because I have realized the importance of it. So… when I was having my coffee, a kid came to sit two seats away in my row. With cute little ponytails she stole my heart at the first glance. I kept my coffee beside, and started taking her pictures. She was eating something and her mother took out a small date alike fruit from the packet, probably the same thing the kid was having, and said something in Chinese to her daughter. I know that Chinese people are sensitive about their kids, so I thought maybe they will go away, as I was taking pictures. To my utter surprise, the baby came to me, handed me the fruit and said “Wo Ai Ni”. I have visited China before. Being surrounded by known Chinese people only, I didn’t have to face any language barrier. This was the first Chinese sentence I heard in my life, which was delivered not to teach me but as a message. I was confused and immediately googled the meaning. In China Google is banned, so I had to use my VPN of course. Being in the country of Great Firewall, which was once upon a time a country of Great Wall, I didn’t expect this sentence as my welcome message.

I decided to move to another city because I wanted to break the shackles of love, care and security. I wanted to be on my own, not loved, but what did this kid just say to me! With all the wonders of this earth, I took the fruit from her, and re-opened my phone to see the meaning of the sentence once again, “I love You”.

 

পাওয়া না-পাওয়া

আমার চশমা পরতে খুব ভালো লাগে। ক্লাস সিক্সে থাকতে যখন চোখের পাওয়ার ধরা পড়লো, কি যে খুশি হলাম। তবে, সেই পাওয়ার কখনোই মাইনাস ১ ছাড়ায়নি। এখন এক চোখের জন্য চশমা লাগে। তাও মাইনাস পয়েন্ট ফাইভ। পরলেও চলে না পরলেও চলে। বেশ কিছুদিন যাবত চশমা পরা হচ্ছে না। আসল কথা হচ্ছে খুঁজে পাচ্ছি না। আমি এতই অলস যে খোঁজার কোন উদ্যোগও নেইনা। কিন্তু, মনে মনে ঠিকই চশমা না পরার দুঃখ। আজকে আমার ছোট ফুপ্পি বাসায় এসে বললো, “তোর কোন পেট মোটা ব্যাগ দে তো”। ফুপ্পি ইদের পরদিন দার্জিলিং যাবে, তাই এই খোঁজ। আমি বললাম, “হেল্প ইয়রসেলফ, নিজেরটা নিজেই খোঁজো”। ফুপ্পি ব্যাগ খোঁজা শুরু করলো এবং কিছুক্ষণের মধ্যে একটা পছন্দ করে নিলো। ব্যাগের ভেতর থেকে সব বের করতেই আমাকে আমার চশমা বের হলো। আমি তো অবাক। পাইলাম আমি ইহাকে পাইলাম। যাকে খোঁজার জন্য আমাকে বিন্দুমাত্র চেষ্টা ছিল না, তা আমার হাতে একাই চলে আসলো। আর যারে আমি খুঁজিয়া মরি, তারে আমি পাইনা। কে ব্যখ্যা দেবে আমার এই পাওয়া-না পাওয়ার খেলার?

বেলী বন্দনা

“বেলি” লিখে মুছে ফেললাম। লিখলাম “বেলী”। পছন্দের আধিক্য বোঝাতে “দীর্ঘ ই” ব্যবহার করা যায় কিনা ব্যকরণের এমন নিয়ম মনে করতে পারছি না। “হ্রস্ব ই” তে একটু অপূর্ণ লাগছিল তাই এমন নিয়ম আছে ধরে নিয়েই “বেলী” বানানটিকে বেছে নিলাম।

গেল সপ্তাহে লাবণ্যর এক বন্ধু আমার জন্য বেলী ফুলের মালা পাঠিয়েছে। খুব কাছের কোন বন্ধু হলেও বুঝতাম, বেশ নতুন এবং দূরের বন্ধুই বলা চলে। আমার সাথে দেখা হয়েছে একবার মাত্র, তাও হঠাত দেখা, কিছু মুহূর্তের। বেশ অবাক হলাম, সাথে খুশিও হলাম। মালা দিয়ে লাবণ্য আমাকে বললো, তার বন্ধু এই মালা আমাকে দিতে বলে অনুরোধ করেছে আমি যাতে ওদের নেটফ্লিক্স এর একাউন্ট খুলে দেই। আশ্চর্য!!! আমি কি এত সস্তা নাকি, বললেই হলো?

মালা হাতে নিয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো বসে রইলাম। জীবনের এক লাখ তম বেলী মালা পেয়েও আমি এমনই মুগ্ধ হবো বলে ধারণা করা যায়।

বহুকাল পরে বেলী মালা উপহার পেয়ে, কম্পিউটার খুলে নিজের প্রথম পাওয়া বেলী মালার ছবি বের করলাম। গত দশ বছরে অনেকবার কম্পিউটার বদলেছি। তবে পুরোনো সব ছবি রেখে দিয়েছি যত্ন করে। কিশোরী বয়সী –  নোকিয়া ফোন এর ব্যাক ক্যামেরা দিয়ে সেলফি প্রথার আগের যুগের তোলা সেলফি গুলো দেখলাম। মূল ছবি গুলো কেন যেন নেই, এডিট করা সাদা কালো, কন্ট্রাস্ট বাড়ানো সব ছবি।  

    

 

দু’দিন আগে ওদেরকে নেটফ্লিক্স একাউন্ট খুলে দিলাম। দশ বছর পরে এসেও এখনো আমি বেলী ফুলের মালার কাছে বিক্রি হয়ে যাই!

বর্ষবরণ ও বৃষ্টি বন্দনা!

আমার পছন্দ চৈত্রের আকাশের গগনবিদারী বর্ষণ, তাই বসন্তের পরে আসা বৈশাখী বৃষ্টিকে আলাদা করে কখনো দেখা হয়নি।এ বছর পুরো ঢাকা শহরবাসী যখন চৈত্র মাসের শিলাবৃষ্টিতে আচ্ছন্ন, আমার বাসার এদিকে তখন কেবলই গুড়ি-গুড়ি বৃষ্টিপাত। কি যন্ত্রণা! আমার অফিসও যে আর মহাখালি বা গুলশানে নেই। একবার মনে করলাম, বৃষ্টি দেখার জন্য হলেও ওদিকটায় আবার কাজ খুঁজবো কিনা। দেখতে দেখতে চৈত্র শেষে বৈশাখের পদার্পণ ঘটলো। অন্যান্যবারের মতন এবার আর কোন নতুন শাড়ি কেনা হয়নি। দুপুরে দাওয়াত ছিল বিধায় বোনের একটা ঘিয়া শাড়ি লাল ব্লাউজের সাথে গায়ে চড়ালাম। একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল দাওয়াতে যেতে, তাই বিকেল সাড়ে চারটায় দুপুরের খাবার শেষ করলাম। হাত ধুতে গিয়ে পাশেই জানালায় দেখি আবার সেই বিরক্তিকর গুড়ি-গুড়ি বৃষ্টি। অসহ্য! অসহ্য! অসহ্য! বান্ধবীদের সাথে বের হওয়ার কথা ছিল বিকেলের পর। সেই হিসেবে বৃষ্টি মাথায় নিয়েই বের হলাম। অবশ্য তাকে বৃষ্টি বলা যায় না, ক্ষুদ্র জলকণা পতন-ই হওয়া উচিত এর সার্থক নামকরণ। ঘন বর্ষণ না হলে কি হবে, রিকশার কোন দেখা নেই। অনেকদূর হেঁটে একটা রিকশা পেলাম। হুড আর তুললাম না। সাথে সাথেই এক বান্ধবীর ক্ষুদেবার্তা পেলাম, বৃষ্টি নাকি বাড়ছেই তাই বের হওয়া যাবে না। অপর বান্ধবীটি আগের জনমে আমার মতন পাগলাগারদের বাসিন্দা ছিল বলেই ফোন করে জানালো, সে আড়ং এর সাত তালায় সেভেনথ হেভেন এর বারান্দায় বসে বৃষ্টিতে ভিজছে, আমি যেন জলদি চলে আসি। অবশেষে, আশায় বুক বাঁধলাম, আমিও বুঝি কিছুক্ষণের  মধ্যে বৃষ্টি  বন্দনা করতে পারবো। আড়ং পর্যন্ত আর যেতে হলো না, অর্ধেক রাস্তা যেতেই, টাউনহলের কাছে বৃষ্টিতে ভিজে গেলাম। আহারে, গত একটা মাস, যতবার মেঘের গর্জন শুনেছি, বাসার নিচে এসে দাড়াতাম ভিজবো বলে, কিন্তু কপালে জুটতো না এ বর্ষণ, বুকে রয়ে যেত চৈত্রের কাঠফাটা রোদে পোড়া হাহাকার। এখন আমার শরীর বেয়ে নেমে যাচ্ছে অঝর জলরাশি। আহা! স্বর্গও মনে হয় এমনই কিছু হবে। রিকশায় বসে বৈশাখের ও বছরের প্রথম বৃষ্টিতে ভিজছি, শরীরে জড়ানো খাদি শাড়ি, শাড়ি জুড়ে লেখা রবিঠাকুরের গান,

“বিধির বাঁধন কাটবে তুমি এমন শক্তিমান–

     তুমি কি  এমন শক্তিমান!

আমাদের   ভাঙাগড়া তোমার হাতে এমন অভিমান–

              তোমাদের   এমনি অভিমান ॥

     চিরদিন টানবে পিছে,   চিরদিন   রাখবে নীচে–

     এত বল   নাই রে তোমার,   সবে না সেই টান ॥

শাসনে   যতই ঘেরো   আছে বল   দুর্বলেরও,

     হও-না   যতই বড়ো   আছেন ভগবান।

          আমাদের  শক্তি মেরে   তোরাও   বাঁচবি নে রে,

              বোঝা তোর   ভারী হলেই ডুববে তরীখান।”

তাইতো, “বোঝা তোর ভারী হলেই ডুববে তরীখান  ” – সত্যিই তাই হলো। আমার অভিযোগ-অনুযোগের বোঝা সইতে না পেরে আজ প্রকৃতি নিজের সব বিলিয়ে আমাকে এই বরিষাধারায় নিয়ে চলছে। এই পথ যদি না শেষ হয় – মনে হয় এমনই দিন, এমনই ক্ষণের জন্য গাওয়া হয়। তবে, গেয়েও লাভ হয় না, কারণ পথ শেষ হয়, আমিও যেমন গন্তব্যে পৌঁছালাম। আড়ং এ নেমে দেখি, অন্তত শ’খানেক মানুষ এ হঠাত বর্ষণ থেকে নিজেদের বর্ষবরণের সাজগোজ বাঁচাতে নিরাপদ স্থানে নিজেদের আড়াল করে রেখেছে। রাগ হলো না, দুঃখ হলো। এমন বৃষ্টিতে না ভেজা যে পাপ, এরা কি তা জানে না। যাই হোক, অন্যের হিসাব নিকাশ না করে, লিফট এ উঠলাম। এক তলা পার হতেই লিফট আটকে গেলো। অন্য দিন হলে, দুপুরে দেখা এক শালিকটিকে শাপ-শাপান্তে অতিষ্ট করে ফেলতাম। আজ মন খুব ভালো, তাই ধৈর্য ধরে লিফট ঠিক হয়ার অপেক্ষা আছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঠিক হলো সব, আর আমি সপ্তম স্বর্গে পৌছালাম। সেভেনথ হেভেনের বাংলা হিসেবেই নয়, আজ এই স্থান আমার জন্য প্রকৃত-অর্থেই সপ্তম স্বর্গ।

এই রেস্টরেন্টের বারান্দাটার গ্রীল নেই, নীচ থেকে অর্ধেকটা কাঁচ দিয়ে ঘেরা, সামনেই সুপ্রশস্ত মানিক মিয়া এভিনিউ এর আলপনায় রাঙ্গা রাস্তা, আর যতদূর চোখ যায়, কেবলই সবুজ আর সবুজ। বারান্দায় বের হতেই, আবারো শরীরে পড়লো বৃষ্টির এলোপাতাড়ি আক্রমণ, সাথে বাতাসের তীব্র বেগ। এখানে তো আমি অসংখ্যবার এসেছি, এমন ভাবে বৃষ্টিতে ভেজা তো কখনো হয়নি। ঠিক যেমন অসংখ্যবার শরীরে শাড়ি জড়ালেও, কখনো বৃষ্টি স্পর্শ করেনি আমার শাড়িময় অবয়ব। ঝাপসা চোখে আমার সখীর দেখা পেলাম, সেও যেন এমন বৃষ্টি দেখে আজ এক বাঁধনহারা প্রাণ। আমার চোখে চোখ পড়তেই বলে উঠলো, আমিই তার সবচেয়ে প্রিয়, সবার চেয়ে প্রিয়। হবোই না বা কেন? কত-শত এমন ক্ষণ যে আমাদের বন্ধুত্বের সাক্ষী।নতুন বছরের প্রথম আলিঙ্গন তার কাছ থেকেই পেলাম আর বারান্দায় পাতা চেয়ার টেবিলের একটিতে বসে পড়লাম। জীবনের অর্থ কি – এ প্রশ্ন করে করে সবার মাথা নষ্ট করে দেই, কিন্তু এমন কিছু মুহূর্ত ক্ষণিকের জন্য হলেও আমার কৌতুহলী মনকে ক্ষান্ত দেয়। মনে হয় – এই তো জীবন, এই তো জীবনের অর্থ, উদ্দেশ্য ও সার্থকতা। ঘন্টা-খানেক ভারী বর্ষণে জীবন-দর্শন এর ব্যবচ্ছেদ করে মনে হলো চা-কফি খেতে হবে। একটা কফি অর্ডার করে আবার কি মনে হলো, আমরা অর্ডার বাতিল করলাম, আর নিচে নামার প্রস্তুতি নিলাম। ঠিক তখনই আমার পাদুকাখানি নিজের জীবননাশের আভাস দিল। শাড়ি তুলে দেখলাম, আমার রুপালি রঙের জুতো ছিঁড়ে গেছে। এবার বসন্ত বরণেও আমার জুতো ছিড়ে গিয়েছিল, বর্ষবরণের দিনেও ছিঁড়ল। যেহেতু মন খুবই তুষ্ট, তাই ভেবে নিলাম, আমার সোনালী আভা দেয়া শাড়ির সাথে বেমানান রুপালি ্জুতোখানি প্রকৃতির মনে সয়নি, তাই এমন হলো। নিচে আড়ং এ নেমে এক জোড়া সোনালী সুন্দর জুতো কিনে ফেললাম। এবার একেবারে সোনালী আভা আর লালে সজ্জিত পায়ে নামলাম রাজপথে।

কোথায় যাওয়া যায় ভাবতে ভাবতে বের করলাম, রবীন্দ্র সরোবর যাই। রিকশা ঠিক করে রওনা দিলাম দু’জন। কিছু পথ যেতেই দেখি শরীরে কি যেন বাড়ি খাচ্ছে, বুঝতে বাকি থাকলো না যে শিলা বর্ষণ হচ্ছে। বান্ধবী বললো, শাড়ির আঁচল পেতে শিলা ধরতে। তাই করলাম। শাড়ির আঁচল পেতে দিলাম, আর প্রকৃতি করুণা বর্ষণ করলো শিলা-রূপে, তাই আমরাও আকাশপানে চেয়ে হা করে করুণা পান করলাম আর আমি জীবনে প্রথমবার শিলা মুখে দিলাম। কপালের লাল টিপকে আবিষ্কার করলাম ব্যাগের ভাজে, কখন যেন সে আমার ললাট ছেড়ে উঠে এসেছে, খেয়ালও তো করিনি। অতঃপর, ধানমন্ডি ৮ নাম্বার পৌঁছালাম, রবীন্দ্র সরোবর নামলাম এবং বুঝলাম কোথাও চা নেই। তবুও অনেক দূর হাটলাম, সরোবর আর সাত মসজিদ রোডের মাঝখানের ব্রীজটা পার হয়ে মাঝের দোকানগুলোর একটাতে বসলাম এবং চা না পেয়ে কফি দিয়ে শরীরকে একটু উষ্ণ করলাম। ব্রীজ পার হতে গিয়ে দেখলাম, বাংলা নববর্ষের প্রথম সূর্যাস্ত।লেকের উপর জলকণার পতনের সাথে অস্তপ্রায় সূর্যের আলো মিশে একাকার। গোধূলির এমন রূপ আগে দেখেছি কিনা মনে করতে পারছি না।  তিতকুটে কফি পান করে মন ভরলো না, তবে ঠান্ডাটা একটু কাটলো। এক প্লেট ফুচকা খেয়ে কফির বিশ্রী ফ্লেভার মুখ থেকে দূর করলাম। শেষ বিকেলের আলোয় কাটলো আমার স্মৃতিমুখর এক সন্ধ্যা। কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডায় কাঁপতে কাঁপতে, হেঁটে হেঁটে মেইন রোডের দিকে  এগিয়ে গেলাম। তবে, আমার বুকজুড়ে তখনো এক কাপ চায়ের হাহাকার। বুঝতে পেরে বান্ধবী আমায় নিয়ে গেলো আমার আজকালকার প্রিয় বেঙ্গল বইয়ে। বেঙ্গল বইয়ে আমার রোজকার জায়গা, বৈঠকখানাতে বসে চা-সিঙ্গারা অর্ডার করলাম। চা পানের মাধ্যমে আমার এ অপূর্ব দিনটির ষোলকলা পূর্ণ হল।

জীবনে অনেক বৈশাখ এসেছে, অনেক বৈশাখী বৃষ্টিতেই কত জলকেলি করেছি। তবে, এবারের মতন বর্ষবরণ কখনো করিনি। পহেলা বৈশাখ মানেই আমার কাছে ছিল সকালের স্নিগ্ধ বাতাস, বটমূলের গান, দুপুরের কাঠফাটা রোদ , বিকেলের আড্ডা আর রাতের দাওয়াত। অথচ, এবার বছরকে স্বাগত করলাম নতুন আঙ্গিকে।ভিন্ন এক বর্ষবরণের অভিজ্ঞতা হবে বলেই হয়তো, এবারের চৈত্র আমার গেলো বর্ষণহীন আর বৈশাখ শুরু হলো বৃষ্টি-বন্দনা দিয়ে।

Melancholy!

I wrote the title first and now pretty clueless about it!

“But when the melancholy fit shall fall
Sudden from heaven like a weeping cloud,
That fosters the droop-headed flowers all,
And hides the green hill in an April shroud;
Then glut thy sorrow on a morning rose,
Or on the rainbow of the salt sand-wave,
Or on the wealth of globed peonies;
Or if thy mistress some rich anger shows,
Emprison her soft hand, and let her rave,
And feed deep, deep upon her peerless eyes.”

– Few lines from Keats

If You Forget Me by Pablo Neruda

Birthday Wishes to this amazing poet! <3


I want you to know
one thing.

You know how this is:
if I look
at the crystal moon, at the red branch
of the slow autumn at my window,
if I touch
near the fire
the impalpable ash
or the wrinkled body of the log,
everything carries me to you,
as if everything that exists,
aromas, light, metals,
were little boats
that sail
toward those isles of yours that wait for me.

Well, now,
if little by little you stop loving me
I shall stop loving you little by little.

If suddenly
you forget me
do not look for me,
for I shall already have forgotten you.

If you think it long and mad,
the wind of banners
that passes through my life,
and you decide
to leave me at the shore
of the heart where I have roots,
remember
that on that day,
at that hour,
I shall lift my arms
and my roots will set off
to seek another land.

But
if each day,
each hour,
you feel that you are destined for me
with implacable sweetness,
if each day a flower
climbs up to your lips to seek me,
ah my love, ah my own,
in me all that fire is repeated,
in me nothing is extinguished or forgotten,
my love feeds on your love, beloved,
and as long as you live it will be in your arms
without leaving mine.