Just A Mess…

-MESS157_0

It’s only 10 working days that I have joined this workplace, and I already feel I am in a mess. I can hear my palpitation, thinking about the rest of the time I have to work here. Why can’t I keep myself interested in something for a longer period! Why I am just a mess!? Why?!

ভয়

রাত সাড়ে চারটা বাজে প্রায়, ফ্যানের শব্দ ছাড়া আর কিছু শুনতে পাচ্ছি না। গত কিছুদিন ধরে একেবারেই রাতে ঘুমাতে পারছি না। না, মুভি-সিরিজ দেখে বা ইন্টারনেটের কারণে না; ভয়ে ঘুমাতে পারি না। কবে যে এত ভীতু হয়ে গেলাম, নিজেও জানি না। কি হাস্যকর! ভয়ের কারণ অবশ্য আছে, কিন্তু বাসার সবাই দিব্যি ঘুমাচ্ছে। শুধু আমি ফজরের আজান আর ভোরের আলো না দেখে ঘুমাতে পারছি না।ইনসোমিয়া আগে রাতের প্রিয় বন্ধু ছিল, তার কারণে রাত জাগতে খারাপ লাগতো না। তবে, এই বিশেষ ধরণের ফোবিয়া নিয়ে রাতে ঘুমাতে না পারা খুবই বাজে। কি যে বিশ্রী একটা অনুভূতি, আশ্চর্য! লিখলে নাকি যে কোন অনুভূতি একটু হাল্কা হয়ে যায়, তাই এই ভোর-প্রায় সময়ে, কম্পিউটার অন করে লিখতে বসলাম। কিন্তু, বসেও শান্তি নেই, মনে হচ্ছে পেছন থেকে কেউ আসছে বোধ হয়, আর একটু পর পর ঘুরে ঘুরে তাকাচ্ছি। মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে, ফ্যানের বন বন ঘোরার চেয়ে আমার হৃদস্পন্দনের শব্দ বেশি; মাঝে মাঝে আবার নিচের কারেন্টের স্পার্কের শব্দে চমকে উঠি। টিন এজে যখন গল্প লিখতাম, প্রায়ই রহস্যময় গল্প লিখতাম, রগরগে ভয়ের যে কাহিনী গুলো লিখতে গিয়ে কখনো হাত  কাঁপতো না। এখন কাঁপে, এটা চিন্তা করেই না জানি কি হচ্ছে, এখনই মনে হয় কিছু হবে। ভয় মনে হয় সবচেয়ে বাজে অনুভূতি। আপনি জানবেন না আপনার সাথে যা হতে পারে, তা ভেবে দুশ্চিন্তায় পড়া উচিত নাকি্‌ কিছু হবে না এই আশা করে নিশ্চিন্তে থাকা উচিত। ভয় কাটানোর উপায় কি জানা আছে, হে মানবজাতি??? আমি আমার ইনসোমিয়াতেই ভাল ছিলাম, এই ভয় বড় ভোগাচ্ছে!!!

Love Strings

  • zara.. zara...
    • zara.. zara...

    • Watch Video

  • চলো বদলে যাই...
    • চলো বদলে যাই...

    • Watch Video

View More

হয়না দেখা চক্ষু মেলিয়া…

গত বছর একুশে বইমেলা যাওয়া হয়নি, এবারও একই কাজ করতে চাইনি। তাই ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকেই যেতে চাচ্ছিলাম। আজকে, ১০ তারিখে এসে যাওয়া হল। বাংলা একাডেমী আর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, এই দুই জায়গায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের অমর একুশে বইমেলা, ২০১৬। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢুঁ মেরে অনেকগুলো বই কিনে ফেললাম ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড এর স্টল থেকে। বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে এসে ঢুকতেই বামে যেতে যেতে চোখে পড়ল ব্রেইল প্রকাশনার স্টল। সাধারণত, আগে বইমেলাইয় অনেক ভিড় হত; বইয়ের লিস্ট বানিয়ে এনে, সব বই কিনে চলে যেতাম। ভিনধর্মী স্টলে দঁড়িয়ে খুব একটা বই দেখা হত না। আগ্রহ নিয়ে গেলাম ব্রেইল প্রকাশনার স্টলের সামনে। ৭-৮ বছরের বাচ্চা একটা ছেলে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করছিল, “বাবা, সত্যি আমি গল্পের বই পড়তে পারবো?”, তারপর থেমে গিয়ে বলল, “কিনব?, না থাক, কিনার দরকার নাই”। 20160210_193706

তখনো নিশ্চিত হতে পারলাম না, আমি যা ভাবছি তাই কি না। পরে বুঝলাম, হ্যা, বাচ্চাটা দৃষ্টি বঞ্চিত, চোখে দেখতে পায় না। ছেলের বাবা বই নিয়ে, নাম-ঠিকানা লিখে চলে গেল। স্টলের লোকদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, এই স্টল নতুন কিনা। তারা জানাল, ২০১১ সাল থেকেই তারা একুশে বইমেলায় অংশগ্রহুন করে এবং বিনামূল্যে দৃষ্টিশক্তিহীনদের গল্পের বই দিয়ে থাকেন। ব্রেইল পদ্ধতি অনেক পরিচিত, তবে বইমেলায় ব্রেইলের বই এর স্টল দেখে কি যে ভালো লাগলো। তবে, আমার বার বার মনে পড়ছে স্টলের সেই বাচ্চাটার কথা, তার উৎকণ্ঠা, অবাক বিস্ময়, প্রাপ্তির কৃতজ্ঞতা-  সবকিছু শুধুমাত্র হয়তো সে আজকে গল্পের বই পড়তে পারবে এই কারণে।

 

20160210_193818

 

আমরা অনেকে যখন নিজেদের আশানুরুপ ফলাফল করতে না পেরে, বা হয়তো আকাঙ্খিত কোন কিছু না পেয়ে ভাগ্য, বা সৃষ্টিকর্তাকে দোষ দেই, কেউ কেউ তখন, আমাদের জন্য যা জন্ম থেকেই বরাদ্দ ছিল, তার সামান্য অংশ পেয়েই চিরকৃতজ্ঞ। জীবনে আমরা খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আসি, এইটুকু সময়ে নিজেরা যা পেয়েছি তা দিয়ে অন্যদের জন্য কিছু করাই মনে হয় জীবনের সার্থকতা। জীবনকে সার্থক করা তাহলে খুবই সহজ, শুধু দেখতে হবে চক্ষু মেলিয়া। 🙂

20160210_193827

Welcome Home!!

3.13 AM, as the clock says. 6th of February, 2016.  How does it feel to welcome yourself home!

    • Watch Video